ট্রাফিক সিগন্যাল লাল থাকলেই ইঞ্জিন বন্ধ করার অনুরোধ
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক : জনজীবন ছন্দে ফিরতে চলেছে। সামান্য হলেও ক্রমশ ভিড় বাড়ছে সল্টলেকে, সেক্টর ফাইভের সহ নিউটাউনের অফিসপাড়াগুলিতে। সেই কারণে গাড়ির সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে। দীর্ঘদিনের লকডাউনে যানবাহনের সংখ্যা ছিল নগন্য। অধিকাংশই কলকারখানার বন্ধ ছিল। কলকাতা ও শহরতলির বায়ুদূষণের মাত্রাও যথেষ্ট কম ছিল। জনজীবন স্বাভাবিক হওয়ার ফলে রাস্তায় বেড়েছে যানবাহনের সংখ্যা। যারফলে দূষণের মাত্রা আবার আগের অবস্থায় ফিরে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
গাড়ির ধোঁয়া নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য এই অভিনব উদ্যোগ। এই কাজ সফল করার জন্য ডিসেম্বর মাসজুড়ে প্রচারাভিযান চলবে নিউটাউন ও নবদিগন্ত জুড়ে। মূলত ৫টি জায়গায় যেখানে ভিড় বেশি হয় সেখানে পুলিশের সঙ্গে প্রচার চালাবেন এই দুই টাউনশিপের আধিকারিক-কর্মীরা। সূত্রের খবর, ১ ডিসেম্বর থেকে ওই প্রচারাভিযান শুরু হবে, চলবে ১৫ তারিখ পর্যন্ত। এর আগে দেশের রাজধানী দিল্লিতেও অনুরূপ ব্যবস্থা অবলম্বন করা হয়েছে। সিগন্যাল লাল থাকার সময় সব গাড়িকে ইঞ্জিন বন্ধ রাখার কথা বলা হচ্ছে। এতে জ্বালানি সাশ্রয় যেমন হবে, তেমনই নিয়ন্ত্রণে আসবে বায়ুদূষণ।
বায়ুদূষণের অন্যতম উৎস হল পরিবহণক্ষেত্র। তবে খুব সহজেই এই মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা যায়। দেখা গিয়েছে, অনেক সময় সিগন্যালে দাঁড়িয়ে থাকলেও অনেক গাড়ির ইঞ্জিন বন্ধ হয় না। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ওই সামান্য সময় গাড়ির ইঞ্জিন বন্ধ থাকলে দূষণ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। এখন থেকে কোনও সিগন্যালের সামনে কোনও গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকলে প্ল্যাকার্ডের সাহায্যে সচেতন করা হবে। যেখানে বার্তা থাকবে, গাড়ির ইঞ্জিন বন্ধ রাখার আবেদন।

